নোটিশ
সম্মানিত বিদেশগামী বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম। আপনি কি বেকার? দেশে কোনো কাজ খুঁজে পাচ্ছেন না? আর দেরি কেন? আজই চলে আসুন আমাদের প্রতিষ্ঠানে। আপনার যোগ্যতা ও পছন্দ অনুযায়ী বিদেশে কাজের ব্যবস্থা করে দিবো আমরা ইনশাআল্লাহ। বিদেশ গমনের জন্য আপনার নিকট যদি সম্পূর্ণ অর্থ না থাকে কোনো চিন্তা ভাবনা করার প্রয়োজন নেই। আপনি অর্ধেক টাকা সংগ্রহ করতে পারলেই আমরা আপনার ভিসাসহ যাবতীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে দিলেই খুব সহজে যেকোনো ব্যাংক বা এনজিও থেকে লোন নিতে পারবেন। এছাড়াও আমাদের মাধ্যমে বিদেশ গমন করলে বাড়তি যেসকল সুযোগ সুবিধা সমূহ প্রদান করা হবে। যথাঃ- ১. বিদেশে যাওয়ার পর আপনার শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কারণে ১ বছর পর দেশে চলে আসলে সেক্ষেত্রে আপনার ব্যয়কৃত টাকার ৫০% টাকা পাঁচ কিস্তিতে পাঁচ বছরে প্রদান করা হবে। আর ২ বছর পর আসলে ৩০% টাকা একই নিয়মে প্রদান করা হবে। ২. আপনার কন্যা সন্তান হলে তার বিবাহের সময় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। ৩. প্রত্যেক প্রবাসী চায় তার একটা সুন্দর বাড়ি হোক। সেই লক্ষ্যে পূরণে আমরা আছি আপনার পাশে। আপনি ১০ বছরে পর্যায়ক্রমে ১ ভাগ অর্থ সঞ্চয় করলে আমরা ২ ভাগ অর্থ দিয়ে আপনার পছন্দ অনুযায়ী আপনার স্বপ্নের বাড়ি নির্মাণ করে দিবো ইনশাআল্লাহ। ৪. আপনার মাসিক আয়ের ক্ষুদ্র একটি অংশ সঞ্চয় করলে ৫ বছরে আপনার মোট সঞ্চয়ের দ্বিগুণ অর্থ প্রদান করা হবে। ৫. অনাকাঙ্খিত দূর্ঘটনায় স্থায়ী পঙ্গুত্ব, কোনো প্রকার চলাফেরা ও সকল প্রকার কাজ করতে অক্ষম কিংবা মৃত্যু হলে ঐ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
সম্মানিত বিদেশগামী বন্ধুগণ, আসসালামু আলাইকুম। আপনি কি বেকার? দেশে কোনো কাজ খুঁজে পাচ্ছেন না? আর দেরি কেন? আজই চলে আসুন আমাদের প্রতিষ্ঠানে। আপনার যোগ্যতা ও পছন্দ অনুযায়ী বিদেশে কাজের ব্যবস্থা করে দিবো আমরা ইনশাআল্লাহ। বিদেশ গমনের জন্য আপনার নিকট যদি সম্পূর্ণ অর্থ না থাকে কোনো চিন্তা ভাবনা করার প্রয়োজন নেই। আপনি অর্ধেক টাকা সংগ্রহ করতে পারলেই আমরা আপনার ভিসাসহ যাবতীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে দিলেই খুব সহজে যেকোনো ব্যাংক বা এনজিও থেকে লোন নিতে পারবেন। এছাড়াও আমাদের মাধ্যমে বিদেশ গমন করলে বাড়তি যেসকল সুযোগ সুবিধা সমূহ প্রদান করা হবে। যথাঃ- ১. বিদেশে যাওয়ার পর আপনার শারীরিক ও মানসিক সমস্যার কারণে ১ বছর পর দেশে চলে আসলে সেক্ষেত্রে আপনার ব্যয়কৃত টাকার ৫০% টাকা পাঁচ কিস্তিতে পাঁচ বছরে প্রদান করা হবে। আর ২ বছর পর আসলে ৩০% টাকা একই নিয়মে প্রদান করা হবে। ২. আপনার কন্যা সন্তান হলে তার বিবাহের সময় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। ৩. প্রত্যেক প্রবাসী চায় তার একটা সুন্দর বাড়ি হোক। সেই লক্ষ্যে পূরণে আমরা আছি আপনার পাশে। আপনি ১০ বছরে পর্যায়ক্রমে ১ ভাগ অর্থ সঞ্চয় করলে আমরা ২ ভাগ অর্থ দিয়ে আপনার পছন্দ অনুযায়ী আপনার স্বপ্নের বাড়ি নির্মাণ করে দিবো ইনশাআল্লাহ। ৪. আপনার মাসিক আয়ের ক্ষুদ্র একটি অংশ সঞ্চয় করলে ৫ বছরে আপনার মোট সঞ্চয়ের দ্বিগুণ অর্থ প্রদান করা হবে। ৫. অনাকাঙ্খিত দূর্ঘটনায় স্থায়ী পঙ্গুত্ব, কোনো প্রকার চলাফেরা ও সকল প্রকার কাজ করতে অক্ষম কিংবা মৃত্যু হলে ঐ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
readycash
ReadY Care Ready for you............................ হাস-মুরগি পালনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়া ​হাস-মুরগি পালন আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং এটি স্বাবলম্বী হওয়ার একটি চমৎকার উপায় হতে পারে। এর কয়েকটি ধাপ এবং সুবিধা নিচে দেওয়া হলো: ​স্বল্প বিনিয়োগে শুরু: হাস-মুরগি পালনে প্রাথমিক বিনিয়োগ তুলনামূলকভাবে কম। অল্প সংখ্যক মুরগি বা হাঁস দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে এর পরিধি বাড়ানো সম্ভব। ​ডিম ও মাংসের উৎপাদন: ডিম ও মাংস উভয়ই বাজারের চাহিদা অনুযায়ী একটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্য। নিয়মিত ডিম বিক্রি করে এবং নির্দিষ্ট সময় পর মাংসের জন্য হাস-মুরগি বিক্রি করে ভালো আয় করা যায়। ​সার উৎপাদন: হাস-মুরগির বিষ্ঠা উৎকৃষ্ট মানের জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়, যা কৃষিক্ষেত্রে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে খরচ সাশ্রয় করে। এই সার বিক্রি করেও অতিরিক্ত আয় সম্ভব। ​অতিরিক্ত কর্মসংস্থান: পারিবারিক উদ্যোগে এই খামার পরিচালনার পাশাপাশি আশেপাশের লোকজনের জন্য ডিম সংগ্রহ, পরিচর্যা ও বিক্রির জন্য কাজের সুযোগ তৈরি হতে পারে। ​পুষ্টির উৎস: পারিবারিক চাহিদা পূরণের জন্য ডিম ও মাংসের জোগান দেয়, যা পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। ​প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ: সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হাস-মুরগি পালনের ওপর প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আধুনিক পদ্ধতিতে খামার পরিচালনা করলে আরও বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব। ​আর্থিক উন্নতি ও স্বাবলম্বী হওয়ার দিক: ​নিয়মিত আয়: ডিম বিক্রি থেকে প্রতিদিন বা সাপ্তাহিক ভিত্তিতে একটি নিশ্চিত আয় আসে, যা পরিবারের দৈনন্দিন খরচ মেটাতে সাহায্য করে। ​বড় আকারের বিক্রি: নির্দিষ্ট সংখ্যক মুরগি বা হাঁসের ব্যাচ তৈরি করে মাংসের জন্য বিক্রি করলে একবারে একটি বড় অঙ্কের অর্থ পাওয়া যায়। ​বাজারের চাহিদা: ডিম ও মাংসের চাহিদা সারা বছরই থাকে, তাই উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণ তুলনামূলকভাবে সহজ। ​মূলধন বৃদ্ধি: প্রথম দিকে ছোট আকারের খামার থেকে অর্জিত মুনাফা দিয়ে ধীরে ধীরে খামারের আকার ও উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব, যা দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক উন্নতি নিশ্চিত করে। ​এই ছোট উদ্যোগটি সঠিকভাবে পরিকল্পনা করে পরিচালনা করলে এটি সত্যিই স্বাবলম্বী হওয়ার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে।